আল-ফুরকান ইসলামিক সেন্টার

  • alfurkan_islami_center

আল-ফুরকান ইসলামিক সেন্টার
গ্রাম ও পোঃ রানীসংকৈল
জেলাঃ ঠাকুরগাঁও

বিশ্বপ্রতিপালক আল্লাহরই জন্য সকল প্রশংসা। সলাত ও সালাম বর্ষিত হোক নবীকুল শিরমণি মুহাম্মাদ(সঃ), তার পারিবার-পরিজন, সকল সাহাবী এবং কিয়ামত পর্যন্ত তাদের একনিষ্ঠ অনুসারীদের উপর। অত:পর আল-ফুরকান ইসলামিক সেন্টার রানীসংকৈল ঠাকুরগাঁও হচ্ছে সালাফগনের(নেককার পূর্ব পুরুষ) ইসলামী আক্বীদাহ শিক্ষা দানের এক দুর্লভ শিক্ষা কেন্দ্র। এটা সালাফগনের পদ্ধতি অনুসারে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও আল্লাহর দিকে দাওয়াতের কাজে এক উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে চলছে।
অবস্থানঃ সেন্টারটি বাংলাদেশের রাজধানী থেকে প্রায় ৫০০ কিঃ মি দূরে ঠাকুরগাঁও জেলার অন্তর্গত রানীসংকৈল উপজেলায় অবস্থিত। এটি অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ন এবং অধিবাসীদের অধিকাংশ ধর্মীয় শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ে খুব (অঙ্গ– এবং দারিদ্র শ্রেনীর লোক। সালাফে সালেহীনের রীতি অনুসারে মুসলিম সন্তানদের সঠিক শিক্ষা দানের জন্য তেমন কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই।

প্রতিষ্ঠাকালঃ সেন্টারটি ১৯৯৭ খ্রীষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠ হয় এবং শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৯৮ এর সেপ্টেম্বর মাস থেকে।

সেন্টরের ভবনসমূহঃ রিভাইভ্যাল অব ইসলামিক হেরিটেজ সোসাইটি (ইসলামী ঐতিহ্য সংরক্ষন সংস্থা) কুয়েতের অনুধানে সেন্টারে নির্মিত হয়েছে একটি দ্বিতল ভবন যার প্রত্যেক তলায় রয়েছে চারটি করে কক্ষ এবং সেখানে রয়েছে একটি মসজিদ, ওযুখানা ও পায়খানা। প্রয়েজনের তাগিদে আর্থিক দৈন্যতা সত্বেও পরিচালনা কমিটি বাশ ও টিন দিয়ে ৫(পাচ)টি শ্রেনীকক্ষ এবং একটি রন্ধনশালা নির্মান করে দিয়েছে।
প্রতিষ্ঠাতাঃ সেন্টারটি প্রতিষ্ঠার করেছেন বহু গ্রন্থ প্রনেতা, গবেষক, মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লিসান্স ডিগ্রি প্রাপ্ত ব্যক্তিত্ব শায়খ্ আকরামুজ্জামান বিন আব্দুস সালাম (হাফেজাহুল্লাহ)

লক্ষ ও উদ্দেশ্যঃ
(ক) সালাফে সালেহীনের বুঝ মোতাবেক মুসলিম সন্তানদের কুরআন ও হাদীসের শিক্ষা দান করা।
(খ) সালাফে সালেহীনের সংস্কৃতি অনুসারে তাদের লালন-পালন করা।
(গ) সালাফে সালেহীনের রীতি অনুসারে মানুষকে কুরআন ও হাদীসের দিকে আহবান করা।
(ঘ) শির্ক ও বিদআত থেকে মানুষকে সর্তক্ সাবধান করা।

সেন্টারটির কার্যক্রমসমূহঃ
*শিক্ষা ক্ষেত্রে কার্যক্রমসমূহঃ
(১) শুক্রবার ব্যতিত প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের ছাত্রদের শিক্ষাদান করা হয়।
(২) হিফয্ বিভাগের ছাত্রদেরকে শুক্রবার ব্যতিত প্রতিদিন কয়েক বৈঠকে ১০ ঘন্টা করে কুরআন শরীফ মুখস্থ করানো হয়।
(৩) সেন্টারের কিছু শিক্ষক বিভিন্ন গ্রামের মসজিদসমূহে বাচ্চাদের কুরআন শিক্ষাদান করেন।
* সেন্টারের দাওয়াতী কার্যক্রমঃ
(১) এলাকার বিভিন্ন গ্রামের মসজিদে বক্তব্য রাখা।
(২) বিভিন্ন জুমুআ মসজিদে খুৎবা দেয়া।
(৩) সভা সম্মেলন করা।
(৪) মাসিক দা’ওয়াতী মিটিং করা।
(৫) ধর্মীয় বই, পত্র-পত্রিকা ও ক্যাসেট বিক্রয় ও বিতরন করা।
(৬) ইসলামী গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠা করা।

*সংস্কৃতি বিষয়ক কার্যক্রমঃ
(১) ছাত্রদের মধ্যে বক্তৃতার যোগ্যতা সৃস্টির লক্ষ্যে সাপ্তাহিক আলোচনার আয়েজন।
(২) ছাত্রদের আরবী কথোপোকথনের প্রশিক্ষন দেয়া।
(৩) শরীর চর্চার জন্য বিভিন্ন ধরনের খেলাধূলার অনুশীলন।
(৪) কুরআন তেলাওয়াত, হাদীস মুখস্থ, ইসলামী সঙ্গীত ও খেলাধূলার প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত করা।
(৫) ছাত্রদের চিত্ত-বিনোদনের জন্য শিক্ষা সফরের ব্যবস্থা করা।

সেন্টারের পরিচালনা কমিটিঃ এলাকাবাসীর সমান্বয়ে একটি পরিচালনা কমিটি গঠিত হয়েছে। এই কমিটি সেন্টার পরিচালনা করে এবং শিক্ষা, সংস্কৃতি, দা’ওয়াত, প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ে সেন্টারকে সাহায্য করে। কিন্তু এই কমিটি সেন্টারের শ্রেনীকক্ষসমূহ তৈরী, ছাত্রদের খাদ্য দান, বিদুৎ বিল পরিশোধ অন্যান্য ব্যয় নির্বাহ করতে অর্থ সল্পতার কারনে হিমশিম খাচ্ছে। উল্লেখ্য যে, কমিটি তার আর্থিক দূর্বলতা সত্ত্বেও প্রতি বছর সেন্টারে একটি করে শ্রেনী বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছে।——-
সুতারং সেন্টারের উপরোক্ত প্রয়েজনগুলো পুরনের জন্য পরিচালনা কমিটি দাতা ভাইদের নিকট থেকে আরো অধিক দান ও সাহায্য আশা করছে। আল্লাহ তা’আলা তাদেরকে ইহকালে ও পরকালে উত্তম প্রতিদান দান করুন-আমিন।
পরিশেষে আল্লাহ তা’আলার প্রশংসা এবং সলাত ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের নবী মুহাম্মাদ(সঃ), তাঁর পারিবার-পরিজন ও সহচরদের প্রতি বর্ষিত হোক।
বিনীত
সেন্টারের পরিচালনা কমিটির পক্ষে
মুহাম্মাদ মোজ্জামেল হক
অধক্ষ ও সম্পাদক
লিসান্স মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়।

ইসলামী শিক্ষা ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউট

  • class_room
  • class_room
  • class_room
  • class_room
  • class_room
  • class_room
  • class_room

নির্ভেজাল ইসলামী শিক্ষার পাশাপাশি প্রচলিত জেনারেল শিক্ষাক্রমের আওতায় ডিগ্রী লাভের ক্ষেত্রে সব প্রতিদন্দিতাপূর্ণ এবং যুগের চাহিদা মাফিক সম্পূর্ণ শির্ক ও আধুনিক শিক্ষাদানের অঙ্গিকার নিয়ে ইসলামী শিক্ষা ও সংস্কৃতি ইনষ্টিটিউট এর সূচনা হয়েছে।

বিস্তারিত